ঢাকা ১২:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নির্বাচনে বাম গণতান্ত্রিক শক্তিকে বিজয়ী করার আহ্বান যুক্তরাজ্য গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের Logo খেলাফত মজলিসের প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ালেন জামায়াত নেতা Logo ‘স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা’ সেজে ডিসির কাছে টাকা দাবি, প্রতারক গ্রেফতার Logo সংস্কার তো বিএনপির সন্তান: মির্জা ফখরুল Logo চিকিৎসা নিতে থাইল্যান্ড যাওয়ার অনুমতি মেলেনি আসিফ মাহমুদের সাবেক এপিএস মোয়াজ্জেমের Logo জুলাই সনদের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোটের আহ্বান মুক্তিযোদ্ধা সংসদের Logo কোনো ধান্দাবাজ ও কসাইদের হাতে দেশকে পড়তে দেব না : মির্জা আব্বাস Logo বিএনপি ক্ষমতায় না গেলে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে আলেম সমাজ : দুলু Logo লুট হওয়া অস্ত্র নির্বাচনের আগে উদ্ধারের তাগিদ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা: প্রেস সচিব Logo নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জামায়াত প্রার্থী

পার্বত্য চট্টগ্রামকে ‘অধিকৃত অঞ্চল’ হিসেবে উপস্থাপন সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন: সরকারের বিবৃতি

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:২০:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে

পার্বত্য চট্টগ্রামকে ‘পশ্চিম তীর’ বা অন্য কোনো অধিকৃত ভূখণ্ডের সঙ্গে তুলনা করার প্রচেষ্টা সরকার দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। সরকারের মতে, এ ধরনের উপমা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর এবং বাস্তবতার চরম বিকৃতি।

সোমবার (৩ নভেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ফয়সল হাসান স্বাক্ষরিত এক সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়, স্বাধীনতার পর থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশের সার্বভৌম ভূখণ্ডের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং এটি সর্বদা বেসামরিক কর্তৃত্বের অধীনে পরিচালিত হয়ে আসছে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতোই শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি রয়েছে। এটি কোনোভাবেই সামরিক শাসন বা দখলদারিত্বের প্রতিফলন নয়।

সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামকে কোনো বিদেশি অধিকৃত ভূখণ্ডের সঙ্গে তুলনা করা কেবল তথ্যগত ভুল নয়, বরং পার্বত্য জনগোষ্ঠীসহ বাংলাদেশের সার্বিক জাতিসত্তার প্রতি অসম্মান। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ মানবাধিকার রক্ষায়, অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে এবং পার্বত্য অঞ্চলের সব সম্প্রদায়ের উন্নয়নে অঙ্গীকারবদ্ধ। সরকার যেকোনো মানবাধিকারসংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে প্রমাণভিত্তিক ও যাচাইযোগ্য প্রতিবেদনকে স্বাগত জানালেও এখন পর্যন্ত নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে পদ্ধতিগত নির্যাতনের কোনো নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

মন্ত্রণালয় আরও উল্লেখ করে, বাংলাদেশ দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে মূল্যায়ন করে। তবে সংবেদনশীল ও জটিল ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরি করার সময় তথ্যনির্ভরতা, পেশাদারিত্ব ও সংবেদনশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা প্রত্যাশা করি, গণমাধ্যম ও সৃজনশীল প্ল্যাটফর্মগুলো পার্বত্য চট্টগ্রামের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরির সময় বাস্তবতা ও দায়িত্বশীলতার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচনে বাম গণতান্ত্রিক শক্তিকে বিজয়ী করার আহ্বান যুক্তরাজ্য গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্টের

পার্বত্য চট্টগ্রামকে ‘অধিকৃত অঞ্চল’ হিসেবে উপস্থাপন সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন: সরকারের বিবৃতি

আপডেট সময় ১১:২০:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ নভেম্বর ২০২৫

পার্বত্য চট্টগ্রামকে ‘পশ্চিম তীর’ বা অন্য কোনো অধিকৃত ভূখণ্ডের সঙ্গে তুলনা করার প্রচেষ্টা সরকার দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। সরকারের মতে, এ ধরনের উপমা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বিভ্রান্তিকর এবং বাস্তবতার চরম বিকৃতি।

সোমবার (৩ নভেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) ফয়সল হাসান স্বাক্ষরিত এক সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়, স্বাধীনতার পর থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম বাংলাদেশের সার্বভৌম ভূখণ্ডের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং এটি সর্বদা বেসামরিক কর্তৃত্বের অধীনে পরিচালিত হয়ে আসছে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মতোই শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি রয়েছে। এটি কোনোভাবেই সামরিক শাসন বা দখলদারিত্বের প্রতিফলন নয়।

সরকার স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামকে কোনো বিদেশি অধিকৃত ভূখণ্ডের সঙ্গে তুলনা করা কেবল তথ্যগত ভুল নয়, বরং পার্বত্য জনগোষ্ঠীসহ বাংলাদেশের সার্বিক জাতিসত্তার প্রতি অসম্মান। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ মানবাধিকার রক্ষায়, অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে এবং পার্বত্য অঞ্চলের সব সম্প্রদায়ের উন্নয়নে অঙ্গীকারবদ্ধ। সরকার যেকোনো মানবাধিকারসংক্রান্ত অভিযোগের বিষয়ে প্রমাণভিত্তিক ও যাচাইযোগ্য প্রতিবেদনকে স্বাগত জানালেও এখন পর্যন্ত নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে পদ্ধতিগত নির্যাতনের কোনো নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

মন্ত্রণালয় আরও উল্লেখ করে, বাংলাদেশ দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে মূল্যায়ন করে। তবে সংবেদনশীল ও জটিল ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরি করার সময় তথ্যনির্ভরতা, পেশাদারিত্ব ও সংবেদনশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা প্রত্যাশা করি, গণমাধ্যম ও সৃজনশীল প্ল্যাটফর্মগুলো পার্বত্য চট্টগ্রামের মতো সংবেদনশীল বিষয়ে প্রতিবেদন তৈরির সময় বাস্তবতা ও দায়িত্বশীলতার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করবে।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481