ঢাকা ০৮:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo পাকিস্তানের অভিযোগ প্রত্যাখান করল ভারত Logo ইনকিলাব মঞ্চের কর্মসূচিতে ‘হামলার’ প্রতিবাদে কেএমপি দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ Logo জামায়াত কি ইসলামের ঠিকাদারি নিয়েছে : প্রশ্ন সালাহউদ্দিনের Logo হাসিনার বিরুদ্ধে সরাসরি লড়াই করেছেন আল্লামা মামুনুল হক : হাসনাত আব্দুল্লাহ Logo নতুন ঘোষণা দিয়ে শাহবাগ ছাড়ল ইনকিলাব মঞ্চ Logo ৫ বিষয়ে ভিত্তি করে বিএনপির ইশতেহার: মাহদী আমিন Logo চট্টগ্রাম বন্দরের বিষয়ে সব সিদ্ধান্ত জনগণকে জানিয়ে নিতে হবে: ফরহাদ মজহার Logo আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ জামায়াতের Logo উন্মুক্ত মঞ্চে তারেক রহমানকে সরাসরি আলোচনার আমন্ত্রণ জামায়াত আমিরের Logo মিথ্যাচারের দাঁতভাঙা জবাব দেবে জনগণ: মির্জা আব্বাস

পানির ট্যাংক থেকে শিশু ননদের মরদেহ উদ্ধার, ভাবি গ্রেপ্তার

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:০২:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২২ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর ভাটারায় আরিফা (৫) নামের ননদকে শ্বাসরোধে হত্যার পর পানির ট্যাংকে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভাবির বিরুদ্ধে। পরে ওই ভাবিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে থানার কুড়িল মৃধাবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

শিশু আরিফার বাবার নাম মো. রাজিব।

অভিযুক্ত ভাবির নাম খাদিজা আক্তার।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভাটারা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মওদুদ কামাল। পরিবারের বরাতে তিনি বলেন, কুড়িল মৃধাবাড়ি ভাড়াবাসায় পরিবারের সঙ্গে থাকত আরিফা। একই বাড়িতে পাশাপাশি রুমে থাকতেন শিশুটির ভাই হাসান ও তার স্ত্রী খাদিজা।

এসআই মওদুদ কামাল বলেন, শিশু খাদিজা তার ভাইয়ের কাছে বিভিন্ন সময়ে নানা ধরনের খাবার কিনে দিতে আবদার করত। আর ভাই হাসান তা কিনে দিত। এগুলো নিয়ে তার ভাবি খাদিজা রাগ করতেন। শিশুটিকে ও তার ভাইকে বকাবকি করতেন।

এসব নিয়ে রাগান্বিত হয়ে বুধবার সকালে শিশু খাদিজাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে ওই বাসার পানির ট্যাংকে ফেলে দেন।
পরে শিশুটিকে অনেক খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে বিকেলে বাড়ির লোকজন পানির ট্যাংকে তার মরদেহ দেখতে পায়। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে শিশুটির ভাবিকে আটক করে। পরে তিনি পুলিশের কাছে স্বীকার করেন, স্বামী হাসান তাকে কিছু কিনে না দিয়ে, শুধু তার বোন খাদিজাকে কিনে দিতেন।

তাই আরিফাকে পানির ট্যাংকে ফেলে দিয়েছিল।
তিনি আরো বলেন, শিশুটির মরদেহ ময়নাতদন্তের সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ভাবি খাদিজা আক্তারকে থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন।

 

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তানের অভিযোগ প্রত্যাখান করল ভারত

পানির ট্যাংক থেকে শিশু ননদের মরদেহ উদ্ধার, ভাবি গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০২:০২:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

রাজধানীর ভাটারায় আরিফা (৫) নামের ননদকে শ্বাসরোধে হত্যার পর পানির ট্যাংকে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে ভাবির বিরুদ্ধে। পরে ওই ভাবিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে থানার কুড়িল মৃধাবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

শিশু আরিফার বাবার নাম মো. রাজিব।

অভিযুক্ত ভাবির নাম খাদিজা আক্তার।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভাটারা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মওদুদ কামাল। পরিবারের বরাতে তিনি বলেন, কুড়িল মৃধাবাড়ি ভাড়াবাসায় পরিবারের সঙ্গে থাকত আরিফা। একই বাড়িতে পাশাপাশি রুমে থাকতেন শিশুটির ভাই হাসান ও তার স্ত্রী খাদিজা।

এসআই মওদুদ কামাল বলেন, শিশু খাদিজা তার ভাইয়ের কাছে বিভিন্ন সময়ে নানা ধরনের খাবার কিনে দিতে আবদার করত। আর ভাই হাসান তা কিনে দিত। এগুলো নিয়ে তার ভাবি খাদিজা রাগ করতেন। শিশুটিকে ও তার ভাইকে বকাবকি করতেন।

এসব নিয়ে রাগান্বিত হয়ে বুধবার সকালে শিশু খাদিজাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে ওই বাসার পানির ট্যাংকে ফেলে দেন।
পরে শিশুটিকে অনেক খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে বিকেলে বাড়ির লোকজন পানির ট্যাংকে তার মরদেহ দেখতে পায়। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে শিশুটির ভাবিকে আটক করে। পরে তিনি পুলিশের কাছে স্বীকার করেন, স্বামী হাসান তাকে কিছু কিনে না দিয়ে, শুধু তার বোন খাদিজাকে কিনে দিতেন।

তাই আরিফাকে পানির ট্যাংকে ফেলে দিয়েছিল।
তিনি আরো বলেন, শিশুটির মরদেহ ময়নাতদন্তের সন্ধ্যায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ভাবি খাদিজা আক্তারকে থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা প্রক্রিয়াধীন।

 


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481