ঢাকা ১১:২৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo পাকিস্তানের অভিযোগ প্রত্যাখান করল ভারত Logo ইনকিলাব মঞ্চের কর্মসূচিতে ‘হামলার’ প্রতিবাদে কেএমপি দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ Logo জামায়াত কি ইসলামের ঠিকাদারি নিয়েছে : প্রশ্ন সালাহউদ্দিনের Logo হাসিনার বিরুদ্ধে সরাসরি লড়াই করেছেন আল্লামা মামুনুল হক : হাসনাত আব্দুল্লাহ Logo নতুন ঘোষণা দিয়ে শাহবাগ ছাড়ল ইনকিলাব মঞ্চ Logo ৫ বিষয়ে ভিত্তি করে বিএনপির ইশতেহার: মাহদী আমিন Logo চট্টগ্রাম বন্দরের বিষয়ে সব সিদ্ধান্ত জনগণকে জানিয়ে নিতে হবে: ফরহাদ মজহার Logo আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ জামায়াতের Logo উন্মুক্ত মঞ্চে তারেক রহমানকে সরাসরি আলোচনার আমন্ত্রণ জামায়াত আমিরের Logo মিথ্যাচারের দাঁতভাঙা জবাব দেবে জনগণ: মির্জা আব্বাস

পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে মস্তিষ্ক ও হার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:২১:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫
  • ৪৬ বার পড়া হয়েছে

আজকের ব্যস্ত জীবনে অনেকেই রাতের ঘুম কমিয়ে কাজ বা ফোন স্ক্রোলিংয়ে সময় কাটান। কিন্তু এই অভ্যাস ধীরে ধীরে আমাদের শরীরে বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। চিকিৎসকরা বলছেন, ঘুম শুধু বিশ্রামের জন্য নয়, এটি মস্তিষ্ক ও শরীরের সুস্থতার এক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

নিউরোলজিস্ট ডা. রিতু ঝা ও কার্ডিওলজিস্ট ডা. প্রভীন কুলকার্নি সম্প্রতি এই বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছেন।

মস্তিষ্কের জন্য ঘুম কেন জরুরি- এ প্রশ্নের জবাবে ডা. রিতু ঝা জানান, গভীর ঘুমের সময় মস্তিষ্কের গ্লিমফ্যাটিক সিস্টেম সক্রিয় থাকে, যা মস্তিষ্কের ‘বর্জ্য পরিষ্কার’ কাজ করে। এই প্রক্রিয়ায় ক্ষতিকর প্রোটিন যেমন বিটা-অ্যামাইলয়েড দূর হয়, যা আলঝেইমার’স রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

যদি পর্যাপ্ত ঘুম না হয়, মস্তিষ্ক এই পরিশোধন প্রক্রিয়া ঠিকমতো করতে পারে না। ফলে স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয় এবং বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জ্ঞানীয় ক্ষমতা কমতে শুরু করে। ৪০ থেকে ৫০ বছর বয়সের মানুষের ক্ষেত্রেও এই ঝুঁকি রয়েছে।

ডা. প্রভীন কুলকার্নি জানান, ভালো ঘুম কার্ডিওমেটাবলিক ভারসাম্য বজায় রাখে। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে হরমোনের ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়- ক্ষুধা হরমোন বেড়ে যায়, সাচার হরমোন কমে যায়, ফলে ওজন বাড়ে ও রক্তচাপ বৃদ্ধি পায়।

একই সঙ্গে স্ট্রেস হরমোন করটিসল বেশি নিঃসৃত হয়, যা ইনফ্লেমেশন, রক্তে গ্লুকোজের বৃদ্ধি এবং ধমনিতে প্লাক জমার ঝুঁকি বাড়ায়। দীর্ঘমেয়াদে এই পরিস্থিতিই হার্ট অ্যাটাক বা অনিয়মিত হার্টবিটের কারণ হতে পারে।

ডা. কুলকার্নি বলেন, নিয়মিত ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম শরীর ও হৃদযন্ত্রকে পুনরুজ্জীবিত ও চাপমুক্ত রাখে।

ঘুমের ঘাটতি কতটা বিপজ্জনক?

ক্লান্তিমনোযোগের সমস্যা

স্মৃতিশক্তি দুর্বল হওয়া

হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া

হৃদযন্ত্রের ওপর চাপ বৃদ্ধি

তাই সারাদিনের ব্যস্ততা যাই হোক, রাতে ন্যূনতম ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণপর্যাপ্ত ঘুম না হলে শুধু ক্লান্তি নয়, বরং মস্তিষ্কহার্টের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হতে পারে

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তানের অভিযোগ প্রত্যাখান করল ভারত

পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে মস্তিষ্ক ও হার্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়

আপডেট সময় ০৪:২১:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১০ নভেম্বর ২০২৫

আজকের ব্যস্ত জীবনে অনেকেই রাতের ঘুম কমিয়ে কাজ বা ফোন স্ক্রোলিংয়ে সময় কাটান। কিন্তু এই অভ্যাস ধীরে ধীরে আমাদের শরীরে বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। চিকিৎসকরা বলছেন, ঘুম শুধু বিশ্রামের জন্য নয়, এটি মস্তিষ্ক ও শরীরের সুস্থতার এক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

নিউরোলজিস্ট ডা. রিতু ঝা ও কার্ডিওলজিস্ট ডা. প্রভীন কুলকার্নি সম্প্রতি এই বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছেন।

মস্তিষ্কের জন্য ঘুম কেন জরুরি- এ প্রশ্নের জবাবে ডা. রিতু ঝা জানান, গভীর ঘুমের সময় মস্তিষ্কের গ্লিমফ্যাটিক সিস্টেম সক্রিয় থাকে, যা মস্তিষ্কের ‘বর্জ্য পরিষ্কার’ কাজ করে। এই প্রক্রিয়ায় ক্ষতিকর প্রোটিন যেমন বিটা-অ্যামাইলয়েড দূর হয়, যা আলঝেইমার’স রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

যদি পর্যাপ্ত ঘুম না হয়, মস্তিষ্ক এই পরিশোধন প্রক্রিয়া ঠিকমতো করতে পারে না। ফলে স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয় এবং বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জ্ঞানীয় ক্ষমতা কমতে শুরু করে। ৪০ থেকে ৫০ বছর বয়সের মানুষের ক্ষেত্রেও এই ঝুঁকি রয়েছে।

ডা. প্রভীন কুলকার্নি জানান, ভালো ঘুম কার্ডিওমেটাবলিক ভারসাম্য বজায় রাখে। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে হরমোনের ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়- ক্ষুধা হরমোন বেড়ে যায়, সাচার হরমোন কমে যায়, ফলে ওজন বাড়ে ও রক্তচাপ বৃদ্ধি পায়।

একই সঙ্গে স্ট্রেস হরমোন করটিসল বেশি নিঃসৃত হয়, যা ইনফ্লেমেশন, রক্তে গ্লুকোজের বৃদ্ধি এবং ধমনিতে প্লাক জমার ঝুঁকি বাড়ায়। দীর্ঘমেয়াদে এই পরিস্থিতিই হার্ট অ্যাটাক বা অনিয়মিত হার্টবিটের কারণ হতে পারে।

ডা. কুলকার্নি বলেন, নিয়মিত ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম শরীর ও হৃদযন্ত্রকে পুনরুজ্জীবিত ও চাপমুক্ত রাখে।

ঘুমের ঘাটতি কতটা বিপজ্জনক?

ক্লান্তিমনোযোগের সমস্যা

স্মৃতিশক্তি দুর্বল হওয়া

হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া

হৃদযন্ত্রের ওপর চাপ বৃদ্ধি

তাই সারাদিনের ব্যস্ততা যাই হোক, রাতে ন্যূনতম ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণপর্যাপ্ত ঘুম না হলে শুধু ক্লান্তি নয়, বরং মস্তিষ্কহার্টের দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হতে পারে


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481