ঢাকা ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ১ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দেশের জন্য প্রাণ উৎসর্গ, দেখা হলো না সন্তানের মুখ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:৩৯:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫
  • ৪৭ বার পড়া হয়েছে

টঙ্গীর কেমিক্যাল গোডাউনের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে জীবন উৎসর্গ করা ফায়ার ফাইটার মো. নুরুল হুদার পরিবারে জন্ম নিল নতুন প্রাণ।

বাবার মৃত্যুর ১২ দিন পর সোমবার (৬ অক্টোবর) সকাল ১০টা ৩০ ঘটিকায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জন্ম নেয় তার পুত্র সন্তান। কিন্তু এই সন্তান পৃথিবীর আলো দেখলেও দেশের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করা বাবাকে কখনোই দেখতে পাবে না আর।

এর আগে, গত ২২ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে টঙ্গীর সাহারা মার্কেট এলাকায় একটি কেমিক্যাল গোডাউনে অগ্নি নির্বাপণে নিয়োজিত হয়ে গুরুতর দগ্ধ হন ফায়ারফাইটার নুরুল হুদা। পরে গুরুতর অবস্থায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয় তাঁকে। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর ২৪ সেপ্টেম্বর বিকেল ২টা ৪০ ঘটিকায় সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন এই অগ্নিযোদ্ধা।

এ ঘটনায় আরও ফায়ারফাইটার শামীম আহমেদ ও ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর খন্দকার জান্নাতুল নাঈমও মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য, ফায়ার ফাইটার মো. নুরুল হুদা ১৯৮৭ সালের ২১ জুলাই ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার ধামাইল গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ২০০৭ সালের ২৯ মার্চ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে ফায়ারফাইটার হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেন। সদ্যোজাত পুত্র সন্তান ছাড়াও নুরুল হুদার ১০ বছরের ১টি কন্যা এবং ৩ বছরের ১টি পুত্র সন্তান রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশকে নিয়ে সেমিফাইনালে শ্রীলঙ্কা

দেশের জন্য প্রাণ উৎসর্গ, দেখা হলো না সন্তানের মুখ

আপডেট সময় ১০:৩৯:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫

টঙ্গীর কেমিক্যাল গোডাউনের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে জীবন উৎসর্গ করা ফায়ার ফাইটার মো. নুরুল হুদার পরিবারে জন্ম নিল নতুন প্রাণ।

বাবার মৃত্যুর ১২ দিন পর সোমবার (৬ অক্টোবর) সকাল ১০টা ৩০ ঘটিকায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জন্ম নেয় তার পুত্র সন্তান। কিন্তু এই সন্তান পৃথিবীর আলো দেখলেও দেশের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করা বাবাকে কখনোই দেখতে পাবে না আর।

এর আগে, গত ২২ সেপ্টেম্বর বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে টঙ্গীর সাহারা মার্কেট এলাকায় একটি কেমিক্যাল গোডাউনে অগ্নি নির্বাপণে নিয়োজিত হয়ে গুরুতর দগ্ধ হন ফায়ারফাইটার নুরুল হুদা। পরে গুরুতর অবস্থায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয় তাঁকে। দীর্ঘ লড়াইয়ের পর ২৪ সেপ্টেম্বর বিকেল ২টা ৪০ ঘটিকায় সেখানেই মৃত্যুবরণ করেন এই অগ্নিযোদ্ধা।

এ ঘটনায় আরও ফায়ারফাইটার শামীম আহমেদ ও ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর খন্দকার জান্নাতুল নাঈমও মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য, ফায়ার ফাইটার মো. নুরুল হুদা ১৯৮৭ সালের ২১ জুলাই ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার ধামাইল গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ২০০৭ সালের ২৯ মার্চ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে ফায়ারফাইটার হিসেবে চাকরিতে যোগদান করেন। সদ্যোজাত পুত্র সন্তান ছাড়াও নুরুল হুদার ১০ বছরের ১টি কন্যা এবং ৩ বছরের ১টি পুত্র সন্তান রয়েছে।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481