ঢাকা ০৭:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo পাকিস্তানের অভিযোগ প্রত্যাখান করল ভারত Logo ইনকিলাব মঞ্চের কর্মসূচিতে ‘হামলার’ প্রতিবাদে কেএমপি দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ Logo জামায়াত কি ইসলামের ঠিকাদারি নিয়েছে : প্রশ্ন সালাহউদ্দিনের Logo হাসিনার বিরুদ্ধে সরাসরি লড়াই করেছেন আল্লামা মামুনুল হক : হাসনাত আব্দুল্লাহ Logo নতুন ঘোষণা দিয়ে শাহবাগ ছাড়ল ইনকিলাব মঞ্চ Logo ৫ বিষয়ে ভিত্তি করে বিএনপির ইশতেহার: মাহদী আমিন Logo চট্টগ্রাম বন্দরের বিষয়ে সব সিদ্ধান্ত জনগণকে জানিয়ে নিতে হবে: ফরহাদ মজহার Logo আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ জামায়াতের Logo উন্মুক্ত মঞ্চে তারেক রহমানকে সরাসরি আলোচনার আমন্ত্রণ জামায়াত আমিরের Logo মিথ্যাচারের দাঁতভাঙা জবাব দেবে জনগণ: মির্জা আব্বাস

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর চাকসু নির্বাচন আজ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:৪৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫
  • ৪২ বার পড়া হয়েছে

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর আজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ও হল সংসদ নির্বাচন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাড়ে ২৭ হাজার শিক্ষার্থীর হাতে ফিরছে ভোটাধিকার। তিন যুগের বেশি সময় পর নির্বাচন উৎসব ঘিরে, শিক্ষার্থীদের মাঝে দেখা দিয়েছে উৎসাহ-উদ্দীপনা।

সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি অনুষদ ভবনে চলবে ভোটগ্রহণ। তফসিল ঘোষণার পর থেকে প্রার্থীরা শাটল ট্রেন, একাডেমিক ভবন, আবাসিক হল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণায় ব্যস্ত সময় কাটান।

নির্বাচন উপলক্ষে পুরো ক্যাম্পাস সেজেছে পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার ও ইশতেহারে। এ নির্বাচনে মোট ভোটার ২৭ হাজার ৫১৭ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১৬ হাজার ৮৪ জন এবং ছাত্রী ১১ হাজার ৪৩৪ জন।

চাকসু ও হল সংসদ মিলিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৯০৮ জন প্রার্থী। এরমধ্যে, চাকসুতে ২৬টি পদে ৪১৫ জন এবং হল সংসদে ৪৯৩ জন প্রার্থী। কেন্দ্রীয় সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪৮ জন নারী প্রার্থী ও ৩৬৬ জন পুরুষ প্রার্থী। এছাড়া, ২৪ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

চাকসুতে ভিপি পদে ২৪ জন, জিএস পদে ২২ জন, এজিএস পদে ২১ জন প্রার্থী লড়ছেন। হল সংসদ নির্বাচনে ছাত্রদের ৯টি হল ও একটি হোস্টেল থেকে মোট ৩৫০ জন এবং ছাত্রীদের ৫টি হল থেকে ১২৩ জন প্রার্থী লড়ছেন। প্রত্যাশিত এই নির্বাচনের জন্য সতর্ক অবস্থানে আছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

এর আগে, ১৯৮৬ সাল থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিলো শিবিরের একক আধিপত্য। ১৯৮১ সালের চতুর্থ চাকসু নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় ছাত্র শিবির। ফলে, ১৯৯০ সালের নির্বাচনে শিবিরের একক আধিপত্যের বিরুদ্ধে সর্বদলীয় ঐক্য করে ১২টি ছাত্র সংগঠন। জয় পায় বেশিরভাগ পদে। এরপর, আর নির্বাচন হয়নি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তানের অভিযোগ প্রত্যাখান করল ভারত

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর চাকসু নির্বাচন আজ

আপডেট সময় ০৮:৪৮:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৫

দীর্ঘ ৩৫ বছর পর আজ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ও হল সংসদ নির্বাচন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাড়ে ২৭ হাজার শিক্ষার্থীর হাতে ফিরছে ভোটাধিকার। তিন যুগের বেশি সময় পর নির্বাচন উৎসব ঘিরে, শিক্ষার্থীদের মাঝে দেখা দিয়েছে উৎসাহ-উদ্দীপনা।

সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি অনুষদ ভবনে চলবে ভোটগ্রহণ। তফসিল ঘোষণার পর থেকে প্রার্থীরা শাটল ট্রেন, একাডেমিক ভবন, আবাসিক হল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারণায় ব্যস্ত সময় কাটান।

নির্বাচন উপলক্ষে পুরো ক্যাম্পাস সেজেছে পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার ও ইশতেহারে। এ নির্বাচনে মোট ভোটার ২৭ হাজার ৫১৭ জন। এর মধ্যে ছাত্র ১৬ হাজার ৮৪ জন এবং ছাত্রী ১১ হাজার ৪৩৪ জন।

চাকসু ও হল সংসদ মিলিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৯০৮ জন প্রার্থী। এরমধ্যে, চাকসুতে ২৬টি পদে ৪১৫ জন এবং হল সংসদে ৪৯৩ জন প্রার্থী। কেন্দ্রীয় সংসদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪৮ জন নারী প্রার্থী ও ৩৬৬ জন পুরুষ প্রার্থী। এছাড়া, ২৪ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।

চাকসুতে ভিপি পদে ২৪ জন, জিএস পদে ২২ জন, এজিএস পদে ২১ জন প্রার্থী লড়ছেন। হল সংসদ নির্বাচনে ছাত্রদের ৯টি হল ও একটি হোস্টেল থেকে মোট ৩৫০ জন এবং ছাত্রীদের ৫টি হল থেকে ১২৩ জন প্রার্থী লড়ছেন। প্রত্যাশিত এই নির্বাচনের জন্য সতর্ক অবস্থানে আছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।

এর আগে, ১৯৮৬ সাল থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছিলো শিবিরের একক আধিপত্য। ১৯৮১ সালের চতুর্থ চাকসু নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় ছাত্র শিবির। ফলে, ১৯৯০ সালের নির্বাচনে শিবিরের একক আধিপত্যের বিরুদ্ধে সর্বদলীয় ঐক্য করে ১২টি ছাত্র সংগঠন। জয় পায় বেশিরভাগ পদে। এরপর, আর নির্বাচন হয়নি।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481