ঢাকা ০৬:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ইসরাইলের মধ্যাঞ্চলে ইরানের ক্লাস্টার বোমা হামলা Logo ইরান কিছুতেই আত্মসমর্পণ করবে না: পেজেশকিয়ান Logo ইসরায়েলের অস্ত্র উৎপাদন স্থাপনায় ইরানের হামলা Logo চীনের উপহার হাইজ্যাক করে বাপের নাম বসানো হয়েছিল: জামায়াত আমির Logo ইরানকে ‘সন্ত্রাসবাদে সমর্থনকারী রাষ্ট্র’ ঘোষণা আলবেনিয়ার Logo নেতানিয়াহুর কার্যালয়ের পাশে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা Logo ‘আফগানিস্তানে হামলা চালিয়ে পাকিস্তান ইসরায়েলের মতো কাজ করেছে’ Logo ৯ ঘণ্টায় পদ্মা সেতুতে কোটি টাকার বেশি টোল আদায় Logo ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা লারিজানি হামলায় নিহত হয়েছেন: ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী Logo হরমুজ প্রণালী বন্ধ: আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বাড়লো ৩ শতাংশের বেশি

থাইল্যান্ড উপকূলে ডুবে গেছে চট্টগ্রামমুখী পণ্যবোঝাই জাহাজ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:০৯:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৪১ বার পড়া হয়েছে

মালয়েশিয়া থেকে পণ্যবোঝাই কন্টেইনার নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে যাত্রাপথে থাইল্যান্ডের ফুকেট উপকূলে পানামার পতাকাবাহী একটি কন্টেইনার জাহাজ ডুবে গেছে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে থাই নৌবাহিনী উদ্ধার অভিযান শুরু করে এবং জাহাজে থাকা ১৬ জন বাংলাদেশি নাবিককে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।

শনিবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে পানামার পতাকাবাহী ‘এমভি সিলয়েড এআরসি’ নামের জাহাজটি কাত হয়ে ডুবে যেতে শুরু করে। এ সময় জাহাজটি থেকে দুই শতাধিক কন্টেইনার সাগরে ছড়িয়ে পড়ে।

পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ তেলও পানিতে মিশে যায়।
জাহাজটি মালয়েশিয়ার পোর্ট কেলাং বন্দর থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের পথে ছিল। ফুকেট উপকূলের কাছে পৌঁছলে এটি প্রায় ৩০ ডিগ্রি কাত হয়ে আংশিকভাবে ডুবে যায়। ফুকেট উপকূল থেকে প্রায় ৪ নটিক্যাল মাইল দূরে গভীর সমুদ্রে জাহাজটি ডুবতে শুরু করলে থাই নৌবাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে জাহাজের ক্যাপ্টেন সেটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন। জাহাজে থাকা ১৬ জন নাবিকই বাংলাদেশি নাগরিক। তাদের উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে ফুকেটের একটি হোটেলে রাখা হয়েছে। সবাই সুস্থ আছেন বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

গত ৫ ফেব্রুয়ারি জাহাজটি পোর্ট কেলাং থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে রওনা দেয় এবং ১২ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামে পৌঁছনোর কথা ছিল। তবে কী কারণে জাহাজটি কাত হয়ে ডুবে গেছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।

থাইল্যান্ডের দ্য ন্যাশন পত্রিকার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, উদ্ধার অভিযান শেষ হওয়ার পর ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে যৌথভাবে জরিপ চালাচ্ছে থাই নৌবাহিনী, ফুকেট দুর্যোগ প্রতিরোধ ও প্রশমন কর্তৃপক্ষ, সামুদ্রিক পুলিশ, কুসলধাম ফুকেট ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবক দল এবং সামুদ্রিক ও উপকূলীয় সম্পদ অফিস-১০। একই সঙ্গে জাহাজটির কন্টেইনার উদ্ধার এবং পানিতে ছড়িয়ে পড়া তেল অপসারণের কাজও শুরু হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

ইসরাইলের মধ্যাঞ্চলে ইরানের ক্লাস্টার বোমা হামলা

থাইল্যান্ড উপকূলে ডুবে গেছে চট্টগ্রামমুখী পণ্যবোঝাই জাহাজ

আপডেট সময় ১১:০৯:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মালয়েশিয়া থেকে পণ্যবোঝাই কন্টেইনার নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে যাত্রাপথে থাইল্যান্ডের ফুকেট উপকূলে পানামার পতাকাবাহী একটি কন্টেইনার জাহাজ ডুবে গেছে। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে থাই নৌবাহিনী উদ্ধার অভিযান শুরু করে এবং জাহাজে থাকা ১৬ জন বাংলাদেশি নাবিককে নিরাপদে উদ্ধার করা হয়।

শনিবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে পানামার পতাকাবাহী ‘এমভি সিলয়েড এআরসি’ নামের জাহাজটি কাত হয়ে ডুবে যেতে শুরু করে। এ সময় জাহাজটি থেকে দুই শতাধিক কন্টেইনার সাগরে ছড়িয়ে পড়ে।

পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ তেলও পানিতে মিশে যায়।
জাহাজটি মালয়েশিয়ার পোর্ট কেলাং বন্দর থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের পথে ছিল। ফুকেট উপকূলের কাছে পৌঁছলে এটি প্রায় ৩০ ডিগ্রি কাত হয়ে আংশিকভাবে ডুবে যায়। ফুকেট উপকূল থেকে প্রায় ৪ নটিক্যাল মাইল দূরে গভীর সমুদ্রে জাহাজটি ডুবতে শুরু করলে থাই নৌবাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছন।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে জাহাজের ক্যাপ্টেন সেটিকে পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন। জাহাজে থাকা ১৬ জন নাবিকই বাংলাদেশি নাগরিক। তাদের উদ্ধার করে স্থানীয়ভাবে ফুকেটের একটি হোটেলে রাখা হয়েছে। সবাই সুস্থ আছেন বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

গত ৫ ফেব্রুয়ারি জাহাজটি পোর্ট কেলাং থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে রওনা দেয় এবং ১২ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রামে পৌঁছনোর কথা ছিল। তবে কী কারণে জাহাজটি কাত হয়ে ডুবে গেছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।

থাইল্যান্ডের দ্য ন্যাশন পত্রিকার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, উদ্ধার অভিযান শেষ হওয়ার পর ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণে যৌথভাবে জরিপ চালাচ্ছে থাই নৌবাহিনী, ফুকেট দুর্যোগ প্রতিরোধ ও প্রশমন কর্তৃপক্ষ, সামুদ্রিক পুলিশ, কুসলধাম ফুকেট ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবক দল এবং সামুদ্রিক ও উপকূলীয় সম্পদ অফিস-১০। একই সঙ্গে জাহাজটির কন্টেইনার উদ্ধার এবং পানিতে ছড়িয়ে পড়া তেল অপসারণের কাজও শুরু হয়েছে।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481