ঢাকা ০৩:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ভোটকেন্দ্র সংস্কারে ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ, তদারকিতে কমিটি Logo অপরিচিত নাম্বার থেকে মিঠুনকে হুমকি Logo ট্রাম্পের সাথে দেখা করতে হোয়াইট হাউসে পৌঁছেছেন মাচাদো Logo খালেদা জিয়ার সংগ্রামী জীবন নিয়ে আলোকচিত্র প্রদর্শনী আজ Logo না ফেরার দেশে ‘মিস ক্যালকাটা’ খ্যাত অভিনেত্রী জয়শ্রী কবির Logo পাসওয়ার্ড জটিলতা পোস্টাল ভোটারদের কল সেন্টারে যোগাযোগের আহ্বান ইসির Logo ১১ দলের নির্বাচনী ঐক্যের ‘ঐতিহাসিক যাত্রা’ Logo নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ইয়াছিন, পেলেন সমন্বয়কের দায়িত্ব Logo গ্রিনল্যান্ড দখলে অনড় যুক্তরাষ্ট্র, পাল্টা জবাবে সেনা পাঠাচ্ছে ইইউ Logo ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বরদাশত করবো না: জামায়াত আমির

জামায়াত-এনসিপির শীর্ষ নেতাদের লড়াই বিএনপির কার বিরুদ্ধে?

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১০:১৯:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ৩৭ বার পড়া হয়েছে

৫ আগস্টের পরপরই ৩০০ আসনে দলের প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করে জামায়াতে ইসলামী। গত সোমবার ২৩৭টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। এর পরপরই প্রায় ২০টির অধিক আসনে অনানুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করে এনসিপি।

দলগুলোর মধ্যে আসন নিয়ে যদি সমঝোতা না হয়, ঘোষিত প্রার্থী তালিকার অনুযায়ী এনসিপির শীর্ষ ও গুরত্বপূর্ণ নেতাদের লড়তে হবে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দীর সঙ্গে। ভোটের লড়াইয়ে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান কিংবা সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারকেও মুখোমুখি হতে হবে বিএনপির মাঠের ডাকসাইটে নেতাদের বিরুদ্ধে

জামায়াত ও এনসিপির শীর্ষ নেতাদের আসনে পরষ্পরের প্রতিদ্বন্দী কারা?

এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ঢাকা-১১ থেকে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এই আসনে তাকে লড়তে হবে বিএনপির ডাকসাইটে নেতা এম এ কাইয়ুমের বিরুদ্ধে। আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান।

পঞ্চগড়-১ সংসদীয় আসনে এনসিপির প্রার্থী দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। এই আসনে তার মূল প্রতিদ্বন্দী বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ নওশাদ জমির। নওশাদ জমিরের বাবা সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার কয়েকবারের সংসদ সদস্য ছিলেন। একই আসনে আছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক ইকবাল হোসেন।

এনসিপির দক্ষিনাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহর আসন কুমিল্লা-৪। যেখানে তার মুখোমুখি সাবেক চারবারের এমপি ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। একই আসনের আরেক প্রতীদ্বন্দ্বী জামায়াতের সাইফুল ইসলাম শহীদ।

রংপুর ৪ আসনে নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশ নেবেন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন। সেই আসনে বিএনপি থেকে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রংপুর জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও কাউনিয়া উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোহাম্মদ এমদাদুল হক ভরসা এবং জামায়াত থেকে কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও রংপুর মহানগর জামায়াতের আমীর এটিএম আজম খান।

ঢাকা-১৮ আসনে এনসিপি মনোনীত প্রার্থী দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। এ আসনে এখনও কাউকে মনোনয়ন দেয়নি বিএনপি। এনসিপির সঙ্গে আসন সমঝোতা না হলে বিএনপির নির্বাচনী জোটের প্রার্থীর সঙ্গে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দীতার মুখে পড়তে হবে তাকে। আরও আছেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আশরাফুল আলম।

এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা ঢাকা-৯ আসন থেকে লড়ার ঘোষণা এসেছে। এই আসনে এখনও কোনও প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়নি বিএনপি। তবে তাসনিম জারাকে লড়তে হবে এই আসনের স্থায়ী বাসিন্দা জামায়াতের কবির আহমদের বিরুদ্ধে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান নরসিংদী-২ আসন থেকে দলের মনোনয়ন পেয়েছে। যেখানে কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহবায়ক সারোয়ার তুষারের প্রাথমিক মনোনয়ন চূড়ান্ত করেছে এনসিপি। এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা আমজাদ হোসাইন।

এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক হান্নান মাসুদ নোয়াখালী-৬ আসন থেকে প্রার্থী হচ্ছেন। আসনটিতে তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে থাকবেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম। আর জামায়াতের প্রার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি শাহ মোহাম্মদ মাহফুজুল হক।

ঢাকা-১৫ আসনে হতে চলেছে দুই শফিকের লড়াই। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের মুখোমুখি যুবদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন। এই আসনে কোনও প্রার্থী দেয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেনি এনসিপি।

কুমিল্লা-১১ আসনে নির্বাচনী লড়াইয়ে দাঁড়াচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে থাকছেন নবীণ এক প্রার্থী। দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ কামরুল হুদা। এই আসনেও প্রার্থী চূড়ান্ত করেনি এনসিপি।

খুলনা-৫ আসনে জামায়াতের প্রার্থী দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। এই আসনেও এখনও প্রার্থী চূড়ান্ত করেনি এনসিপি। দীর্ঘ ২৯ বছর পর এই আসন থেকে বিএনপির হয়ে প্রাতিদ্বন্দিতা করবেন মোহাম্মদ আলী আসগর লবী। ১৯৯৬ সালের পর ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটের শরীক জামায়াতে ইসলামীর জন্য ছেড়ে দেয়া হয়েছিল খুলনা–৫ আসনটি। এরপর থেকে বিএনপির কেউ এই আসনে প্রার্থী হননি।

এদিকে, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দিনাজপুর, বগুড়া ও ফেনীর ৩টি আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নেবেন। তার প্রতি সম্মান রেখে এসব আসনে প্রার্থী না দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে এনসিপি। তবে থাকছে জামায়াতের প্রার্থী।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

ভোটকেন্দ্র সংস্কারে ৬ কোটি টাকা বরাদ্দ, তদারকিতে কমিটি

জামায়াত-এনসিপির শীর্ষ নেতাদের লড়াই বিএনপির কার বিরুদ্ধে?

আপডেট সময় ১০:১৯:২১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

৫ আগস্টের পরপরই ৩০০ আসনে দলের প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করে জামায়াতে ইসলামী। গত সোমবার ২৩৭টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। এর পরপরই প্রায় ২০টির অধিক আসনে অনানুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করে এনসিপি।

দলগুলোর মধ্যে আসন নিয়ে যদি সমঝোতা না হয়, ঘোষিত প্রার্থী তালিকার অনুযায়ী এনসিপির শীর্ষ ও গুরত্বপূর্ণ নেতাদের লড়তে হবে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দীর সঙ্গে। ভোটের লড়াইয়ে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান কিংবা সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারকেও মুখোমুখি হতে হবে বিএনপির মাঠের ডাকসাইটে নেতাদের বিরুদ্ধে

জামায়াত ও এনসিপির শীর্ষ নেতাদের আসনে পরষ্পরের প্রতিদ্বন্দী কারা?

এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ঢাকা-১১ থেকে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এই আসনে তাকে লড়তে হবে বিএনপির ডাকসাইটে নেতা এম এ কাইয়ুমের বিরুদ্ধে। আরেক প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান।

পঞ্চগড়-১ সংসদীয় আসনে এনসিপির প্রার্থী দলটির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। এই আসনে তার মূল প্রতিদ্বন্দী বিএনপির প্রার্থী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ নওশাদ জমির। নওশাদ জমিরের বাবা সাবেক স্পিকার ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার কয়েকবারের সংসদ সদস্য ছিলেন। একই আসনে আছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক ইকবাল হোসেন।

এনসিপির দক্ষিনাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহর আসন কুমিল্লা-৪। যেখানে তার মুখোমুখি সাবেক চারবারের এমপি ইঞ্জিনিয়ার মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। একই আসনের আরেক প্রতীদ্বন্দ্বী জামায়াতের সাইফুল ইসলাম শহীদ।

রংপুর ৪ আসনে নির্বাচনী লড়াইয়ে অংশ নেবেন এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন। সেই আসনে বিএনপি থেকে তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রংপুর জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও কাউনিয়া উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মোহাম্মদ এমদাদুল হক ভরসা এবং জামায়াত থেকে কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও রংপুর মহানগর জামায়াতের আমীর এটিএম আজম খান।

ঢাকা-১৮ আসনে এনসিপি মনোনীত প্রার্থী দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। এ আসনে এখনও কাউকে মনোনয়ন দেয়নি বিএনপি। এনসিপির সঙ্গে আসন সমঝোতা না হলে বিএনপির নির্বাচনী জোটের প্রার্থীর সঙ্গে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দীতার মুখে পড়তে হবে তাকে। আরও আছেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আশরাফুল আলম।

এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা ঢাকা-৯ আসন থেকে লড়ার ঘোষণা এসেছে। এই আসনে এখনও কোনও প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়নি বিএনপি। তবে তাসনিম জারাকে লড়তে হবে এই আসনের স্থায়ী বাসিন্দা জামায়াতের কবির আহমদের বিরুদ্ধে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান নরসিংদী-২ আসন থেকে দলের মনোনয়ন পেয়েছে। যেখানে কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহবায়ক সারোয়ার তুষারের প্রাথমিক মনোনয়ন চূড়ান্ত করেছে এনসিপি। এই আসনে জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা আমজাদ হোসাইন।

এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক হান্নান মাসুদ নোয়াখালী-৬ আসন থেকে প্রার্থী হচ্ছেন। আসনটিতে তার প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে থাকবেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাহবুবের রহমান শামীম। আর জামায়াতের প্রার্থী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি শাহ মোহাম্মদ মাহফুজুল হক।

ঢাকা-১৫ আসনে হতে চলেছে দুই শফিকের লড়াই। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের মুখোমুখি যুবদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন। এই আসনে কোনও প্রার্থী দেয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করেনি এনসিপি।

কুমিল্লা-১১ আসনে নির্বাচনী লড়াইয়ে দাঁড়াচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে থাকছেন নবীণ এক প্রার্থী। দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও চৌদ্দগ্রাম উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোহাম্মদ কামরুল হুদা। এই আসনেও প্রার্থী চূড়ান্ত করেনি এনসিপি।

খুলনা-৫ আসনে জামায়াতের প্রার্থী দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। এই আসনেও এখনও প্রার্থী চূড়ান্ত করেনি এনসিপি। দীর্ঘ ২৯ বছর পর এই আসন থেকে বিএনপির হয়ে প্রাতিদ্বন্দিতা করবেন মোহাম্মদ আলী আসগর লবী। ১৯৯৬ সালের পর ২০০১ সালের অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটের শরীক জামায়াতে ইসলামীর জন্য ছেড়ে দেয়া হয়েছিল খুলনা–৫ আসনটি। এরপর থেকে বিএনপির কেউ এই আসনে প্রার্থী হননি।

এদিকে, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দিনাজপুর, বগুড়া ও ফেনীর ৩টি আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নেবেন। তার প্রতি সম্মান রেখে এসব আসনে প্রার্থী না দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে এনসিপি। তবে থাকছে জামায়াতের প্রার্থী।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481