ঢাকা ০২:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬, ৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ইরানের আর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার সক্ষমতা নেই, দাবি নেতানিয়াহুর Logo শুধু ক্ষমতার জন্য নয়, বিএনপি মানুষের কল্যাণে কাজ করে: মঈন খান Logo ইরান যুদ্ধ থেকে ‘বের হওয়ার পথ’ খুঁজছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প: বিশ্লেষক Logo ইরান যুদ্ধে নতুন করে হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করতে চায় যুক্তরাষ্ট্র Logo দীর্ঘদিন পর রাষ্ট্রপতির সঙ্গে ঈদের নামাজ পড়বেন পুরুষ প্রধানমন্ত্রী Logo হরমুজ প্রণালি সচল করতে এবার নামছে ইউরোপ ও জাপান Logo নৌযান-জেটি না থাকায় ঝুঁকি নিয়ে মাঝ নদীতে লঞ্চে উঠছে যাত্রীরা Logo ইরান যুদ্ধ শক্তিশালী করেছে নেতানিয়াহুকে, ক্ষতিগ্রস্ত ট্রাম্প ও উপসাগরীয় দেশগুলো Logo সাবেক কাউন্সিলর ও আ. লীগ নেতা হাসু গ্রেপ্তার Logo যুদ্ধের আবহে ১৭৮ মার্কিন-ইসরায়েলি গুপ্তচর গ্রেফতারের দাবি ইরানের

গণভোটে ‘না’ দিতে প্ররোচনার অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০১:২৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৬৫ বার পড়া হয়েছে

পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহেনা আক্তার গণভোটে ‘না’ ভোট দিতে ভোটারদের উৎসাহিত করছেন বলে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) লিখিত অভিযোগ করেছেন উপজেলার সাধারণ ভোটাররা।

গত বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ইসিতে তারা এ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। চিঠিতে ভান্ডারিয়ার ইউএনওকে প্রত্যাহার দাবি জানানো হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট।

নানা কারণে এবারের নির্বাচন অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার। এরই মধ্যে ভোটের সব প্রস্তুতি শেষ করেছেন নির্বাচন কমিশন। কিন্তু মাঠ প্রশাসনের ভেতর ঘাপটি মেরে থাকা আওয়ামী লীগের দোসর কর্মকর্তারা এই নির্বাচন বিতর্কিত করতে নানা ষড়যন্ত্র শুরু করছে।

তাদের টার্গেট নির্বাচন বানচাল করা। এদের মধ্যে অন্যতম ভান্ডারিয়া উপজেলার ইউএনও রেহেনা আক্তার।
চিঠিতে আরো বলা হয়, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রেহেনা আক্তারের স্বামী রাশিদুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মাস্টারদা সূর্যসেন হলের নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের পদধারী নেতা ছিলেন। যিনি ৫ আগস্টের আগে ঢাকায় টেন্ডার ও তদবির বাণিজ্যে যুক্ত ছিলেন।

এ ছাড়া ইউএনওর আপন দেবর রাইসুল ইসলামও ঢাবির সূর্যসেন হল ছাত্রলীগের পদধারী নেতা ছিলেন। শুধু তাই নয়, জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাবি শিক্ষার্থীদের ওপর দেশীয় অস্ত্র হাতে রাইসুল ইসলামকে হামলা করতে দেখা গেছে। যা ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তারা সবাই ৫ আগস্টের পর থেকে এলাকা (ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলা) ছাড়া। সম্প্রতি এই সন্ত্রাসী পুলিশ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন।

তবে এ নিয়ে বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে নড়েচড়ে বসে সরকার। ইউএনও রেহেনা আক্তারও ছাত্রজীবনে ঢাবি ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ইউএনওর পুরো পরিবার ও শ্বশুর বাড়ির পরিবার আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সরাসরি জড়িত। জুলাই আন্দোলনে তিনি সরাসরি বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।
জানা গেছে, ৫ আগস্টের পর থেকে ইউএনও রেহেনা আক্তারের ময়মনসিংহের গ্রামের বাড়িতে কেউ নেই। বাড়ির আশপাশের লোকজন সোচ্চার হওয়ায় তারা এখন এলাকাছাড়া। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ইউএনওর পরিবারকে চিহ্নিত আওয়ামী লীগের দোসর বলে অভিহিত করেছেন।

ইসিতে দেওয়া অভিযোগের বিষয়ে ইউএনও রেহেনা আক্তার বলেন, ভান্ডারিয়াবাসীর জন্য এতকিছু করলাম, আর তারা মিথ্যা অভিযোগ দেয়। এসব অভিযোগ সত্য নয়। আমার পরিবার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। আর বিয়ে তো আমার হাতে নেই।

এ বিষয়ে ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, কমিশনের কাছে যেকোনো অভিযোগ আসলে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়। বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। আমার কাছে যেসব অভিযোগ আসে আমি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়ে দিই, তারা প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের আর ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার সক্ষমতা নেই, দাবি নেতানিয়াহুর

গণভোটে ‘না’ দিতে প্ররোচনার অভিযোগ ইউএনওর বিরুদ্ধে

আপডেট সময় ০১:২৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেহেনা আক্তার গণভোটে ‘না’ ভোট দিতে ভোটারদের উৎসাহিত করছেন বলে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) লিখিত অভিযোগ করেছেন উপজেলার সাধারণ ভোটাররা।

গত বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) ইসিতে তারা এ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। চিঠিতে ভান্ডারিয়ার ইউএনওকে প্রত্যাহার দাবি জানানো হয়।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট।

নানা কারণে এবারের নির্বাচন অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আগামী নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার। এরই মধ্যে ভোটের সব প্রস্তুতি শেষ করেছেন নির্বাচন কমিশন। কিন্তু মাঠ প্রশাসনের ভেতর ঘাপটি মেরে থাকা আওয়ামী লীগের দোসর কর্মকর্তারা এই নির্বাচন বিতর্কিত করতে নানা ষড়যন্ত্র শুরু করছে।

তাদের টার্গেট নির্বাচন বানচাল করা। এদের মধ্যে অন্যতম ভান্ডারিয়া উপজেলার ইউএনও রেহেনা আক্তার।
চিঠিতে আরো বলা হয়, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রেহেনা আক্তারের স্বামী রাশিদুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মাস্টারদা সূর্যসেন হলের নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের পদধারী নেতা ছিলেন। যিনি ৫ আগস্টের আগে ঢাকায় টেন্ডার ও তদবির বাণিজ্যে যুক্ত ছিলেন।

এ ছাড়া ইউএনওর আপন দেবর রাইসুল ইসলামও ঢাবির সূর্যসেন হল ছাত্রলীগের পদধারী নেতা ছিলেন। শুধু তাই নয়, জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাবি শিক্ষার্থীদের ওপর দেশীয় অস্ত্র হাতে রাইসুল ইসলামকে হামলা করতে দেখা গেছে। যা ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। তারা সবাই ৫ আগস্টের পর থেকে এলাকা (ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলা) ছাড়া। সম্প্রতি এই সন্ত্রাসী পুলিশ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছিলেন।

তবে এ নিয়ে বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে নড়েচড়ে বসে সরকার। ইউএনও রেহেনা আক্তারও ছাত্রজীবনে ঢাবি ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ইউএনওর পুরো পরিবার ও শ্বশুর বাড়ির পরিবার আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সরাসরি জড়িত। জুলাই আন্দোলনে তিনি সরাসরি বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।
জানা গেছে, ৫ আগস্টের পর থেকে ইউএনও রেহেনা আক্তারের ময়মনসিংহের গ্রামের বাড়িতে কেউ নেই। বাড়ির আশপাশের লোকজন সোচ্চার হওয়ায় তারা এখন এলাকাছাড়া। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ইউএনওর পরিবারকে চিহ্নিত আওয়ামী লীগের দোসর বলে অভিহিত করেছেন।

ইসিতে দেওয়া অভিযোগের বিষয়ে ইউএনও রেহেনা আক্তার বলেন, ভান্ডারিয়াবাসীর জন্য এতকিছু করলাম, আর তারা মিথ্যা অভিযোগ দেয়। এসব অভিযোগ সত্য নয়। আমার পরিবার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। আর বিয়ে তো আমার হাতে নেই।

এ বিষয়ে ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, কমিশনের কাছে যেকোনো অভিযোগ আসলে গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়। বিষয়টি আমার নজরে এসেছে। আমার কাছে যেসব অভিযোগ আসে আমি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে পাঠিয়ে দিই, তারা প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481