ঢাকা ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo শ্বশুরবাড়ি থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করলেন তারেক রহমান Logo নির্বাচন ও গণভোটে ১৪ সদস্যের পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে কমনওয়েলথ Logo ক্রিকেটারদের সঙ্গে আজ জরুরি বৈঠক করবেন ক্রীড়া উপদেষ্টা Logo নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ঢাকায় আসছে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের ৭ সদস্য Logo গাজা ‘শান্তি পর্ষদে’ থাকছে আমিরাত, সৌদি আরব, তুরস্ক, মিশর, জর্দান, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান ও কাতার Logo পানির ট্যাংক থেকে শিশু ননদের মরদেহ উদ্ধার, ভাবি গ্রেপ্তার Logo বিএনপির নির্বাচনি থিম সং প্রকাশ Logo সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হাফিজ উদ্দিন মারা গেছেন Logo আমার মিছিলে কোনো কিশোর গ্যাং থাকবে না: সাঈদ আল নোমান Logo নিউ ইয়র্কে টেক্সওয়ার্ল্ডে ১৫ প্রদর্শক নিয়ে আলোচনায় বাংলাদেশ

কিডনি ভালো রাখতে দিনে কতটুকু পানি খাওয়া জরুরি? জেনে নিন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:২৬:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫
  • ৫৯ বার পড়া হয়েছে

দেহের সুস্থতার অন্যতম শর্ত হলো কিডনি ভালো থাকাকিন্তু অজান্তেই আমরা এমন অনেক ভুল করি, যার প্রভাব সরাসরি পড়ে এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের ওপরবিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিডনির বড় শত্রু হলো পানির ঘাটতিপর্যাপ্ত পানি না খাওয়ার অভ্যাসে শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যায়, যার ফলাফল হতে পারে গেঁটে বাত, কিডনিতে পাথর কিংবা হার্টের জটিলতা পর্যন্ত। তাই শরীর সুস্থ রাখতে জানতে হবে, দিনে ঠিক কতটা পানি খাওয়া উচিত, আর কেন তা এত জরুরি।

রক্তে ইউরিক অ্যাসিড থাকা অস্বাভাবিক নয়। আবার, এমন কিছু খাবারও রয়েছে যেগুলো খেলে রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যায়। সাধারণত এটি রক্তে মিশে কিডনির মাধ্যমে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। তবে মাঝে মাঝে এই অ্যাসিডের পরিমাণ অতিরিক্ত হয়ে গেলেই সমস্যা দেখা দেয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় একে বলা হয় ‘হাইপারইউরেসেমিয়া’।

চিকিৎসকরা সতর্ক করছেন, দীর্ঘদিন ধরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা অনিয়ন্ত্রিত থাকলে তা থেকে গেঁটে বাত, কিডনিতে স্টোন, এমনকি হার্টের জটিলতা পর্যন্ত দেখা দিতে পারে।

সমাধান কী?

চিকিৎসকদের মতে, সবচেয়ে কার্যকরী ও প্রাকৃতিক উপায় হলো শরীরকে আর্দ্র রাখা। অর্থাৎ পর্যাপ্ত পানি পান করা। শরীরে যদি ফ্লুইডের মাত্রা ঠিক থাকে, রক্তে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে না এবং কিডনির কার্যক্ষমতাও ভালো থাকে।

তারা বলেন, পানি হলো শরীরের প্রাকৃতিক ‘ডিটক্সিফায়ার’। এটি রক্তে ইউরিক অ্যাসিডকে পাতলা করে দেয়, ফলে অতিরিক্ত অ্যাসিড সহজেই কিডনির ছাঁকনি দিয়ে বেরিয়ে যায়। কিন্তু শরীরে পানির ঘাটতি হলেই রক্তে অ্যাসিডের ঘনত্ব বেড়ে যায় এবং তা জোড়ায় জোড়ায় বা কিডনিতে জমে সমস্যা সৃষ্টি করে।

গবেষণায় যা বলা হয়েছে

চাইনিজ সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন’-এর তথ্যমতে, যাদের রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেশি এবং গেঁটে বাতের সমস্যা রয়েছে, তাদের দিনে অন্তত ২০০০-৩০০০ মিলিলিটার (প্রায় ৮-১২ গ্লাস) পানি পান করা জরুরি। একইভাবে ‘দ্য জার্নাল অব নেফ্রোলজি’**-তেও বলা হয়েছে, পর্যাপ্ত পানি পান করার অভ্যাস ইউরিক অ্যাসিডজনিত কিডনি রোগের ঝুঁকি কমিয়ে আনে।

দিনে কতটা পানি খাবেন?

চিকিৎসকদের মতে, পানির পরিমাণ ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে। তবে গড়ে পুরুষদের দিনে অন্তত ৮-৯ গ্লাস, আর নারীদের ৭-৮ গ্লাস পানি পান করা উচিত। তবে একসঙ্গে অনেকটা পানি না খেয়ে সারা দিনে অল্প অল্প করে সিপ করে খাওয়াই সবচেয়ে কার্যকর।

দিনের শুরুতে এক গ্লাস ঈষদুষ্ণ পানি খাওয়া দারুণ উপকারী। এর সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে নিলে শরীরের ডিটক্স প্রক্রিয়া আরও কার্যকর হয় এবং দিনের শুরুটা হয় সতেজভাবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

শ্বশুরবাড়ি থেকে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করলেন তারেক রহমান

কিডনি ভালো রাখতে দিনে কতটুকু পানি খাওয়া জরুরি? জেনে নিন

আপডেট সময় ০২:২৬:২৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৭ নভেম্বর ২০২৫

দেহের সুস্থতার অন্যতম শর্ত হলো কিডনি ভালো থাকাকিন্তু অজান্তেই আমরা এমন অনেক ভুল করি, যার প্রভাব সরাসরি পড়ে এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের ওপরবিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিডনির বড় শত্রু হলো পানির ঘাটতিপর্যাপ্ত পানি না খাওয়ার অভ্যাসে শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যায়, যার ফলাফল হতে পারে গেঁটে বাত, কিডনিতে পাথর কিংবা হার্টের জটিলতা পর্যন্ত। তাই শরীর সুস্থ রাখতে জানতে হবে, দিনে ঠিক কতটা পানি খাওয়া উচিত, আর কেন তা এত জরুরি।

রক্তে ইউরিক অ্যাসিড থাকা অস্বাভাবিক নয়। আবার, এমন কিছু খাবারও রয়েছে যেগুলো খেলে রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যায়। সাধারণত এটি রক্তে মিশে কিডনির মাধ্যমে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়। তবে মাঝে মাঝে এই অ্যাসিডের পরিমাণ অতিরিক্ত হয়ে গেলেই সমস্যা দেখা দেয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের পরিভাষায় একে বলা হয় ‘হাইপারইউরেসেমিয়া’।

চিকিৎসকরা সতর্ক করছেন, দীর্ঘদিন ধরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা অনিয়ন্ত্রিত থাকলে তা থেকে গেঁটে বাত, কিডনিতে স্টোন, এমনকি হার্টের জটিলতা পর্যন্ত দেখা দিতে পারে।

সমাধান কী?

চিকিৎসকদের মতে, সবচেয়ে কার্যকরী ও প্রাকৃতিক উপায় হলো শরীরকে আর্দ্র রাখা। অর্থাৎ পর্যাপ্ত পানি পান করা। শরীরে যদি ফ্লুইডের মাত্রা ঠিক থাকে, রক্তে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে না এবং কিডনির কার্যক্ষমতাও ভালো থাকে।

তারা বলেন, পানি হলো শরীরের প্রাকৃতিক ‘ডিটক্সিফায়ার’। এটি রক্তে ইউরিক অ্যাসিডকে পাতলা করে দেয়, ফলে অতিরিক্ত অ্যাসিড সহজেই কিডনির ছাঁকনি দিয়ে বেরিয়ে যায়। কিন্তু শরীরে পানির ঘাটতি হলেই রক্তে অ্যাসিডের ঘনত্ব বেড়ে যায় এবং তা জোড়ায় জোড়ায় বা কিডনিতে জমে সমস্যা সৃষ্টি করে।

গবেষণায় যা বলা হয়েছে

চাইনিজ সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন’-এর তথ্যমতে, যাদের রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেশি এবং গেঁটে বাতের সমস্যা রয়েছে, তাদের দিনে অন্তত ২০০০-৩০০০ মিলিলিটার (প্রায় ৮-১২ গ্লাস) পানি পান করা জরুরি। একইভাবে ‘দ্য জার্নাল অব নেফ্রোলজি’**-তেও বলা হয়েছে, পর্যাপ্ত পানি পান করার অভ্যাস ইউরিক অ্যাসিডজনিত কিডনি রোগের ঝুঁকি কমিয়ে আনে।

দিনে কতটা পানি খাবেন?

চিকিৎসকদের মতে, পানির পরিমাণ ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে। তবে গড়ে পুরুষদের দিনে অন্তত ৮-৯ গ্লাস, আর নারীদের ৭-৮ গ্লাস পানি পান করা উচিত। তবে একসঙ্গে অনেকটা পানি না খেয়ে সারা দিনে অল্প অল্প করে সিপ করে খাওয়াই সবচেয়ে কার্যকর।

দিনের শুরুতে এক গ্লাস ঈষদুষ্ণ পানি খাওয়া দারুণ উপকারী। এর সঙ্গে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে নিলে শরীরের ডিটক্স প্রক্রিয়া আরও কার্যকর হয় এবং দিনের শুরুটা হয় সতেজভাবে।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481