ঢাকা ১১:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এমপিও নীতিমালায় বড় পরিবর্তন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১১:১১:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
  • ৪৭ বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক:
বেসরকারি স্কুল ও কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য প্রণীত ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫’ এর বিভিন্ন দিক নিয়ে সম্মতি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যয় ব্যবস্থাপনা অধিশাখা। গত বুধবার মাউশির পাঠানো সারসংক্ষেপের ভিত্তিতে এ সম্মতি প্রদান করা হয়। চিঠিটি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে এবং দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ ২০২১ সালের মার্চ মাসে এমপিও নীতিমালা প্রণীত হয়েছিল। সাড়ে চার বছর পর ফের এ নীতিমালায় গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু সংশোধনী আনা হলো।

অর্থ বিভাগ জানিয়েছে, নতুন নীতিমালা কার্যকর করতে অতিরিক্ত জনবল সৃষ্টি করে সরকারের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টির সুযোগ নেই। তাই সব পদ সৃষ্টি, পদোন্নতি, বেতন-ভাতা ও আর্থিক কাঠামো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী এবং সরকারি ব্যয়সীমার মধ্যে পরিচালিত হবে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, শিক্ষক-কর্মচারীদের যোগ্যতা যাচাইয়ে নতুন সূচক যুক্ত করা হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ন্যূনতম শিক্ষার্থী উপস্থিতি, শিক্ষার মান এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক। এ ছাড়া অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষক নিয়োগে বিষয়ভিত্তিক যোগ্যতা ও শিক্ষার্থী-শিক্ষক অনুপাত কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

বিদ্যালয় ও কলেজের প্রতিটি পৃথক স্ট্রিম (প্রভাতি ও দিবা) অনুযায়ী শিক্ষক পদ নির্ধারণ করা হবে। ২০১৯ সালের পর নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকরাও নতুন নীতিমালার আলোকে এমপিওভুক্ত হবেন।

সংশোধিত নীতিমালায় উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের ‌‘জ্যেষ্ঠ প্রভাষক’ পদ বিলুপ্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ বিভিন্ন পদের নিয়োগ যোগ্যতায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। বেসরকারি স্কুল ও কলেজের এমপিও নীতিমালায় এসব সংশোধনী এনে পরিপত্র জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।

২০২১ সালের মার্চে জারি করা নীতিমালায় উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও উচ্চ মাধ্যমিক কলেজের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক পদ সৃষ্টি করা হলেও সংশোধনীতে তা বিলুপ্ত করা হয়েছে।
এ ক্ষেত্রে আগের মতো সহকারী অধ্যাপক পদে প্রভাষকদের পদোন্নতির সুযোগ দেওয়া হয়েছে। প্রভাষকরা চাকরির ১০ বছরপূর্তিতে জাতীয় বেতন স্কেলের গ্রেড ৯ থেকে ৮ প্রাপ্য হবেন এবং ধারাবাহিকভাবে এমপিওভুক্তির ১৬ বছরপূর্তিতে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পাবেন। সহকারী অধ্যাপক পদের বেতন জ্যেষ্ঠ প্রভাষকের মতো গ্রেড ৬-এ হবে।

আগে উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পেতে একই ধরনের বিদ্যালয় বা উচ্চ মাধ্যমিক কলেজের অধ্যক্ষ পদে বা ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ পদে এমপিওভুক্তরা, ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক পদে তিন বছরের অভিজ্ঞতাসহ ১২ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন শিক্ষকরা এবং এমপিওভুক্ত উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় বা উচ্চ মাধ্যমিক কলেজের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক পদে তিন বছরের অভিজ্ঞতাসহ ১২ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন শিক্ষকরা নিয়োগের সুযোগ পেতেন।

সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদের দুই বছরের অভিজ্ঞতাসহ ১৩ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা নিয়ে এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে দু-তিন বছরের অভিজ্ঞতাসহ ১৫ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা নিয়ে শিক্ষকরা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ পদে নিয়োগে সুযোগ পাবেন।

আগের নীতিমালায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইনডেক্সধারী প্রধান শিক্ষক বা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইনডেক্সধারী সহকারী প্রধান শিক্ষক বা নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইনডেক্সধারী প্রধান শিক্ষক পদে তিন বছরের অভিজ্ঞতাসহ এমপিওভুক্ত পদে ১৫ বছরের শিক্ষকতা অভিজ্ঞতাসহ শিক্ষকরা নিয়োগের সুযোগ পেতেন।

নতুন নীতিমালায় বলা হয়েছে, বিনা অনুমতিতে ৬০ দিন বা তদূর্ধ্ব সময় অনুপস্থিত থাকলে ওই শিক্ষক এমপিওভুক্তির জন্য বিবেচিত হবেন না। এমন ঘটলে ৬০ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর ওই পদটি শূন্য ঘোষণা করে বিধি মোতাবেক নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে। নতুন জনবল কাঠামো অনুসারে, কোনো বেসরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ খোলার জন্য প্রতি বিভাগে ন্যূনতম ৩৫ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে। বিজ্ঞান বিভাগে নতুন শাখা খুলতে হলে ন্যূনতম ২৫ জন ছাত্রছাত্রী থাকতে হবে। মফস্বলে মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা খোলার জন্য ন্যূনতম ৩০ ও বিজ্ঞান বিভাগের জন্য ন্যূনতম ২০ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক-১) সাইয়েদ এ জেড মোরশেদ আলী সমকালকে বলেন, সংশোধিত নীতিমালায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতি মেলায় এটি চূড়ান্ত হয়ে গেছে। এখন থেকে এই নীতিমালা ও জনবল কাঠামো অনুসারে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীরা এমপিওভুক্ত হবেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

এমপিও নীতিমালায় বড় পরিবর্তন

আপডেট সময় ১১:১১:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

নিউজ ডেস্ক:
বেসরকারি স্কুল ও কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য প্রণীত ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা-২০২৫’ এর বিভিন্ন দিক নিয়ে সম্মতি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যয় ব্যবস্থাপনা অধিশাখা। গত বুধবার মাউশির পাঠানো সারসংক্ষেপের ভিত্তিতে এ সম্মতি প্রদান করা হয়। চিঠিটি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়েছে এবং দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সর্বশেষ ২০২১ সালের মার্চ মাসে এমপিও নীতিমালা প্রণীত হয়েছিল। সাড়ে চার বছর পর ফের এ নীতিমালায় গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু সংশোধনী আনা হলো।

অর্থ বিভাগ জানিয়েছে, নতুন নীতিমালা কার্যকর করতে অতিরিক্ত জনবল সৃষ্টি করে সরকারের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টির সুযোগ নেই। তাই সব পদ সৃষ্টি, পদোন্নতি, বেতন-ভাতা ও আর্থিক কাঠামো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী এবং সরকারি ব্যয়সীমার মধ্যে পরিচালিত হবে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, শিক্ষক-কর্মচারীদের যোগ্যতা যাচাইয়ে নতুন সূচক যুক্ত করা হয়েছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ন্যূনতম শিক্ষার্থী উপস্থিতি, শিক্ষার মান এবং শিক্ষক প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক। এ ছাড়া অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষক নিয়োগে বিষয়ভিত্তিক যোগ্যতা ও শিক্ষার্থী-শিক্ষক অনুপাত কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

বিদ্যালয় ও কলেজের প্রতিটি পৃথক স্ট্রিম (প্রভাতি ও দিবা) অনুযায়ী শিক্ষক পদ নির্ধারণ করা হবে। ২০১৯ সালের পর নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকরাও নতুন নীতিমালার আলোকে এমপিওভুক্ত হবেন।

সংশোধিত নীতিমালায় উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের ‌‘জ্যেষ্ঠ প্রভাষক’ পদ বিলুপ্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ বিভিন্ন পদের নিয়োগ যোগ্যতায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। বেসরকারি স্কুল ও কলেজের এমপিও নীতিমালায় এসব সংশোধনী এনে পরিপত্র জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ।

২০২১ সালের মার্চে জারি করা নীতিমালায় উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও উচ্চ মাধ্যমিক কলেজের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক পদ সৃষ্টি করা হলেও সংশোধনীতে তা বিলুপ্ত করা হয়েছে।
এ ক্ষেত্রে আগের মতো সহকারী অধ্যাপক পদে প্রভাষকদের পদোন্নতির সুযোগ দেওয়া হয়েছে। প্রভাষকরা চাকরির ১০ বছরপূর্তিতে জাতীয় বেতন স্কেলের গ্রেড ৯ থেকে ৮ প্রাপ্য হবেন এবং ধারাবাহিকভাবে এমপিওভুক্তির ১৬ বছরপূর্তিতে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পাবেন। সহকারী অধ্যাপক পদের বেতন জ্যেষ্ঠ প্রভাষকের মতো গ্রেড ৬-এ হবে।

আগে উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ পদে নিয়োগ পেতে একই ধরনের বিদ্যালয় বা উচ্চ মাধ্যমিক কলেজের অধ্যক্ষ পদে বা ডিগ্রি কলেজের উপাধ্যক্ষ পদে এমপিওভুক্তরা, ডিগ্রি কলেজের সহকারী অধ্যাপক পদে তিন বছরের অভিজ্ঞতাসহ ১২ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতাসম্পন্ন শিক্ষকরা এবং এমপিওভুক্ত উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় বা উচ্চ মাধ্যমিক কলেজের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক পদে তিন বছরের অভিজ্ঞতাসহ ১২ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন শিক্ষকরা নিয়োগের সুযোগ পেতেন।

সংশোধিত নীতিমালা অনুযায়ী, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদের দুই বছরের অভিজ্ঞতাসহ ১৩ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা নিয়ে এবং সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে দু-তিন বছরের অভিজ্ঞতাসহ ১৫ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা নিয়ে শিক্ষকরা উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ পদে নিয়োগে সুযোগ পাবেন।

আগের নীতিমালায় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইনডেক্সধারী প্রধান শিক্ষক বা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইনডেক্সধারী সহকারী প্রধান শিক্ষক বা নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইনডেক্সধারী প্রধান শিক্ষক পদে তিন বছরের অভিজ্ঞতাসহ এমপিওভুক্ত পদে ১৫ বছরের শিক্ষকতা অভিজ্ঞতাসহ শিক্ষকরা নিয়োগের সুযোগ পেতেন।

নতুন নীতিমালায় বলা হয়েছে, বিনা অনুমতিতে ৬০ দিন বা তদূর্ধ্ব সময় অনুপস্থিত থাকলে ওই শিক্ষক এমপিওভুক্তির জন্য বিবেচিত হবেন না। এমন ঘটলে ৬০ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর ওই পদটি শূন্য ঘোষণা করে বিধি মোতাবেক নিয়োগের ব্যবস্থা করতে হবে। নতুন জনবল কাঠামো অনুসারে, কোনো বেসরকারি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ খোলার জন্য প্রতি বিভাগে ন্যূনতম ৩৫ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে। বিজ্ঞান বিভাগে নতুন শাখা খুলতে হলে ন্যূনতম ২৫ জন ছাত্রছাত্রী থাকতে হবে। মফস্বলে মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখা খোলার জন্য ন্যূনতম ৩০ ও বিজ্ঞান বিভাগের জন্য ন্যূনতম ২০ জন শিক্ষার্থী থাকতে হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের উপসচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক-১) সাইয়েদ এ জেড মোরশেদ আলী সমকালকে বলেন, সংশোধিত নীতিমালায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতি মেলায় এটি চূড়ান্ত হয়ে গেছে। এখন থেকে এই নীতিমালা ও জনবল কাঠামো অনুসারে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও কর্মচারীরা এমপিওভুক্ত হবেন।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481