ঢাকা ১০:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আমিরাতের ৫শ’ বছর পুরনো মসজিদ, নামাজ পড়তে পারে একসঙ্গে ৭০ জন

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০২:৩৯:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে

আল বিদা মসজিদ। ধারণা করা হয়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সবচেয়ে প্রাচীনতম মসজিদ। এটি ফুজাইরাহ আমিরাতে অবস্থিত এবং ঐতিহাসিক ও স্থাপত্যিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধর্মীয় স্থাপনা। মসজিদটি প্রায় ৬.৮ মিটার আয়তনের ছোট একটি কাঠামো, যেখানে একসাথে প্রায় ৭০ জন মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন।

চারটি গম্বুজের জন্য পরিচিত এই মসজিদের স্থাপত্যশৈলী অঞ্চলটিতে বিরল। প্রতিটি গম্বুজ একটি মাত্র কেন্দ্রীয় স্তম্ভের ওপর ভর করে দাঁড়িয়ে আছে। স্থানীয়ভাবে পাওয়া পাথর, কাঁচামাটির ইট, খড় ও মাটির মিশ্রণে তৈরি করা হয়েছে মসজিদটি, যা সেই সময়ের কারিগরদের দক্ষতা ও সৃষ্টিশীলতার নিদর্শন।

মসজিদটির সুনির্দিষ্ট নির্মাণ সাল নিয়ে মতভেদ থাকলেও গবেষণা কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। ফুজাইরাহ প্রত্নতত্ত্ব ও ঐতিহ্য বিভাগ এবং সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক যৌথ গবেষণায় ধারণা করা হয়েছে যে এটি ১৪৪৬ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত।

তবে ২০১৭ সালে ফুজাইরাহর ক্রাউন প্রিন্স শেখ মোহাম্মদ বিন হামাদ বিন মোহাম্মদ আল শরকির কমিশনকৃত আরেকটি গবেষণায় বলা হয়, মসজিদটি হয়তো ১৫৯৯ সালের কাছাকাছি সময়ে নির্মিত হয়েছিল — প্রায় ১৫০ বছর পরে।

মসজিদের আশেপাশে প্রত্নতাত্ত্বিক খননে লৌহ যুগের (প্রায় ২৫০০ বছর পূর্বের) মাটির বাসনপত্র, অস্ত্র এবং অন্যান্য সামগ্রী আবিষ্কৃত হয়েছে। এই আবিষ্কারগুলো প্রমাণ করে যে, ফুজাইরাহ বহু আগেই একটি সমৃদ্ধ বাণিজ্য ও সংস্কৃতির কেন্দ্র ছিল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

কামাল হোসাইন

হ্যালো আমি কামাল হোসাইন, আমি গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি। ২০১৭ সাল থেকে এই পত্রিকার সাথে কাজ করছি। এভাবে এখানে আপনার প্রতিনিধিদের সম্পর্কে কিছু লিখতে পারবেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

আমিরাতের ৫শ’ বছর পুরনো মসজিদ, নামাজ পড়তে পারে একসঙ্গে ৭০ জন

আপডেট সময় ০২:৩৯:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আল বিদা মসজিদ। ধারণা করা হয়, সংযুক্ত আরব আমিরাতের সবচেয়ে প্রাচীনতম মসজিদ। এটি ফুজাইরাহ আমিরাতে অবস্থিত এবং ঐতিহাসিক ও স্থাপত্যিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ধর্মীয় স্থাপনা। মসজিদটি প্রায় ৬.৮ মিটার আয়তনের ছোট একটি কাঠামো, যেখানে একসাথে প্রায় ৭০ জন মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন।

চারটি গম্বুজের জন্য পরিচিত এই মসজিদের স্থাপত্যশৈলী অঞ্চলটিতে বিরল। প্রতিটি গম্বুজ একটি মাত্র কেন্দ্রীয় স্তম্ভের ওপর ভর করে দাঁড়িয়ে আছে। স্থানীয়ভাবে পাওয়া পাথর, কাঁচামাটির ইট, খড় ও মাটির মিশ্রণে তৈরি করা হয়েছে মসজিদটি, যা সেই সময়ের কারিগরদের দক্ষতা ও সৃষ্টিশীলতার নিদর্শন।

মসজিদটির সুনির্দিষ্ট নির্মাণ সাল নিয়ে মতভেদ থাকলেও গবেষণা কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। ফুজাইরাহ প্রত্নতত্ত্ব ও ঐতিহ্য বিভাগ এবং সিডনি বিশ্ববিদ্যালয়ের এক যৌথ গবেষণায় ধারণা করা হয়েছে যে এটি ১৪৪৬ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত।

তবে ২০১৭ সালে ফুজাইরাহর ক্রাউন প্রিন্স শেখ মোহাম্মদ বিন হামাদ বিন মোহাম্মদ আল শরকির কমিশনকৃত আরেকটি গবেষণায় বলা হয়, মসজিদটি হয়তো ১৫৯৯ সালের কাছাকাছি সময়ে নির্মিত হয়েছিল — প্রায় ১৫০ বছর পরে।

মসজিদের আশেপাশে প্রত্নতাত্ত্বিক খননে লৌহ যুগের (প্রায় ২৫০০ বছর পূর্বের) মাটির বাসনপত্র, অস্ত্র এবং অন্যান্য সামগ্রী আবিষ্কৃত হয়েছে। এই আবিষ্কারগুলো প্রমাণ করে যে, ফুজাইরাহ বহু আগেই একটি সমৃদ্ধ বাণিজ্য ও সংস্কৃতির কেন্দ্র ছিল।


Notice: ob_end_flush(): Failed to send buffer of zlib output compression (0) in /home/somokontho/public_html/wp-includes/functions.php on line 5481